Description
কাঠগড়া বই সম্পর্কে আলোকপাত:
সব নবিকে নিজের দাবির সত্যতা প্রমাণের জন্য ‘মু’জিযা’ দিয়েছিলেন আল্লাহ তাআলা। কোনো ফটোকপি গ্রহণযোগ্য হয়, যদি প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা সত্যায়িত করে দেন যে, এটা অরিজিনালটারই ফটোকপি, আমি স্বাক্ষরকারী অরিজিনালটা দেখেছি। তেমনি নবিদের গ্রহণযোগ্যতার জন্য, পাবলিকের সন্দেহ-সংশয় নিরসনের জন্য দেওয়া হতো মু’জিযা, যে ইনিই আল্লাহর সত্যায়িত বার্তাবাহক। সত্যসন্ধানীরা আল্লাহর তাওফীকে চট করে বুঝে যেত, যে ইনিই নবি। যেমন মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর আজদাহা সাপটা যখন জাদুকরদের ভাঁওতাবাজিগুলোকে গিলে নিল, জাদুকররা সাথে সাথে বুঝে নিল ঘটনা কী। আর হতভাগারা তা বুঝেও হঠকারিতা করত। মু’জিযা দেখার পরও সেই মু’জিযার বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দাঁড় করাতো; নবিকে বলত কবি-জাদুকর-পাগল-জিনে পাওয়া।
নবিরা বলতেন, এই দেখো, এই আমার মু’জিযা, এই অলৌকিক ক্ষমতা আমার নিজের না; আমি আল্লাহর প্রেরিত সত্য নবি।
আর মানুষের কথা ছিল, আপনি নবি ছাড়া আর সবকিছু, প্লিজ বইলেন না আপনি নবি। আপনি নবি-কেবল এইটুকু আমরা শুনতে চাই না, জানতেও চাই না। নবি মেনে নিলেই আপনার আল্লাহকে মেনে নিতে হবে, আইন-কানুন মানতে হবে, আপনার বংশীয় শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে হবে, জুলুম-অত্যাচারের যে ব্যবস্থাপনা আমরা সাজিয়েছি, সেটা ত্যাগ করে আয়েশ-খ্যাতি-ভোগের জীবন বিসর্জন দিতে হবে। সুতরাং ‘আপনি নবি’, এইটুকু ছাড়া আর যা বলবেন মেনে নেবো।







Reviews
There are no reviews yet