Description
দারুল উলুম দেওবন্দ পূর্বসুরি ও উত্তরসুরি বই সম্পর্কে আলোকপাত:
যে কারণে বইটি পড়বেন…..
“আমি আবারও বলছি, দ্বীনের দাওয়াত ও দ্বীনী ইলমের চর্চা বিষয় দুটিকে আলাদা করতে পারলে এ সত্যটি বুঝতে আরো সহজ হবে”। [পৃ:- ১৩]
“কারণ দ্বীন সম্প্রসারণের স্বাভাবিক ও ‘মাসূর’-অনুসৃত পদ্ধতি ছিল পর্যায়ক্রমে দাওয়াত, জিহাদ, বিজয়, শাসন ও প্রশাসন-যা একটি ভূখণ্ডের সকল নাগরিককে ছুঁয়ে যায় এবং কেউ নিজেকে আড়াল করে রাখতে পারে না, আড়াল করে রাখার প্রয়োজনবোধ করে না; বরং দ্বীনী ও ইলমী বিষয়ে প্রতিযোগিতাপ্রবণ হয়ে ওঠে”। [পৃঃ- ১৬]
“ভারত উপমহাদেশে দলিল-প্রমাণ ভিত্তিক দ্বীন চর্চার সবচাইতে বড়, ব্যাপক ও দীর্ঘ মেয়াদী মাকতাবায়ে ফিকর-সভ্যতা কেন্দ্র হচ্ছে দারুল উলুম দেওবন্দ। এর সমকক্ষ দ্বিতীয়টি আর নেই”। [পৃঃ-২২]
“একটি মাকতাবায়ে ফিকর-সভ্যতা কেন্দ্রের বিচ্যুত ও স্খলিত কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচ্যুত ও স্খলিত কোন চিন্তা-চেতনা বা কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব কখনো মাক্কাবায়ে ফিকর-সভ্যতা কেন্দ্রের উপর বর্তায় না”। [পৃঃ- ৩১]
“সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া অসম্পূর্ণ কাজগুলো উত্তরসূরিদের দায়িত্বকে বাড়িয়ে দেয়, অজুহাতের রাস্তা খোলে না। শত্রুর জন্যও না, মিত্রের জন্যও না”। [পৃঃ- ৪৫]
“সময় ও মেধার যোগানদাতারা সময় ও মেধাকে ইলমের পেছনে ব্যয় না করে অর্থযোগানদাতার পেছনে ব্যয় করছেন”। [পৃঃ-৮৩]
“প্রজন্মের মেধার অধিকারীরা ও মেধার যোগানদাতারা ন্যূনতম জীবন যাপনের জন্য উপার্জনের বৈধ ও সম্মানজনক পদ্ধতিগুলোর পেছনে সময় ব্যয় না করে সে সময়টুকু বা তার চাইতে বেশি সময় ব্যয় করেছেন অর্থ যোগানদাতাদের পেছনে”। (পৃঃ-৮৫]







Sufiullah –
Nice